← সব গল্প
English

ফুলপাখি · Phulpakhi

পিঁপড়া আর ঘাসফড়িং

The Ant and the Grasshopper

🦗 ঘাসফড়িং🐜 পিঁপড়া🏛️ ঈশপ

গরমের মাঠে ঘাসফড়িং সারাদিন পাতার বেহালা বাজায় আর গান গায়, আর পিঁপড়া পিঁপড়ারা ঘেমে-নেয়ে ধান জমায় শীতের জন্য। “দূর, শীত তো ঢের দেরি!” — হেসে উড়িয়ে দেয় ঘাসফড়িং। তারপর সত্যিই এল কনকনে শীত, চারদিক বরফে সাদা, একটা দানাও নেই। ক্ষিদে আর ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে ঘাসফড়িং এসে দাঁড়ায় পিঁপড়াদের গরম গর্তের দরজায়। ঈশপের চিরচেনা গল্প, নতুন করে বাংলায়। শুধু ফুলপাখিতে।

👆 ছবির পশুপাখিকে ছুঁয়ে দেখো — ডাক শুনবে!

নিচে স্ক্রল করো, গল্প শুরু হোক…

দৃশ্য ১ / ৭

ঝলমলে গরমের দুপুর, মাঠভরা সোনালি ধান দোল খায়। এক সারি পিঁপড়া পিঠে দানা নিয়ে চলেছে গর্তের দিকে  এক পা… আরেক পা। ঘাসফড়িং বাজায় পাতার বেহালা  টুংটাং! 

দৃশ্য ২ / ৭

ঘাম ঝরিয়ে দানা টানছিল পিঁপড়া। ঘাসফড়িং হেসে ডাকল  «এই রোদে খেটে মরছ কেন? এসো, গান গাও!»  «শীত আসছে, ভাই। এখনই জমাই।»  «দূর! শীত তো ঢের দেরি।» 

দৃশ্য ৩ / ৭

আস্তে আস্তে হেমন্ত এল। পাতা হলুদ, তারপর লাল  ঝরে পড়ে মড়মড়। পিঁপড়া আবার ডাকল  «ঠান্ডা ঘনিয়ে এল, খাবার জমাও!» ঘাসফড়িং গড়িয়ে হাসল  «তোমরা খাটো, আমি গাই!» 

দৃশ্য ৪ / ৭

তারপর এল কনকনে শীত। এক রাতেই চারদিক বরফে সাদা  মাঠ ফাঁকা, একটা দানাও নেই। ঘাসফড়িং কাঁপে থরথর।  «ইস, পিঁপড়ার কথাটা যদি শুনতাম!» 

দৃশ্য ৫ / ৭

রাত গভীর হলো। বরফ-ঢাকা মাঠে শুকনো ডালের নিচে ঘাসফড়িং একা  চুপচাপ, নিথর। মাথার ওপর ঠান্ডা চাঁদ। এই সময়  ওই তো, দূরে একটুখানি আলো! 

দৃশ্য ৬ / ৭

আলোটা তো পিঁপড়াদের গর্তের মুখ! বরফ ভেঙে ঘাসফড়িং এসে দাঁড়াল দরজায়  «একটু ঠাঁই দেবে?» পিঁপড়া নরম গলায় বলল  «ভেতরে এসো। এই ঠান্ডায় কাউকে বাইরে রাখি না।» 

দৃশ্য ৭ / ৭

ভেতরে আরামের উষ্ণতা, থরে থরে সাজানো ধান। খেতে খেতে ঘাসফড়িং বলল  «শীত গেলে আমিও তোমাদের সঙ্গে খাটব, কথা দিলাম।» পিঁপড়া হাসল  «আনন্দের সময় আনন্দ, কাজের সময় কাজ।» 

গল্পটা কেমন বুঝলে?

প্রশ্ন ১ / ৩

তিনটা প্রশ্ন — পারলেই একটা পাথর!

গরমকালে পিঁপড়ারা কী করছিল?